Header Ads

Header ADS

কিছু যন্ত্রপাতির ইংরেজি নাম । vocalury on some accessories

 

যন্ত্রপাতি ও উপকরণের পরিচয়

স্থাপনা নির্মাণকাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ জানে কমই। প্রকৌশলী আর রাজমিস্ত্রির কথার ওপর নির্ভর করেই নেমে পড়তে হয় কাজে। অসাধু প্রকৌশলী আর রাজমিস্ত্রির খপ্পরেও পড়েন অনেকে। সে ক্ষেত্রে নির্মাণে ত্রুটি থেকে যেতে পারে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তবে প্রাথমিক কিছু বিষয় জানা থাকলে ঠকার আশঙ্কা কমে অনেকটাই। এমন বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন প্রকৌশলী আশরাফুল হক

স্থাপনা নির্মাণের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন পড়ে একখণ্ড জমি। জমির পরিমাণ দেখে সেখানে ভবনের নকশা তৈরির প্রাথমিক এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেন প্রকৌশলী। এরপর শুরু হয় নির্মাণকাজ। প্রয়োজন হয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণের।

 

রাজমিস্ত্রির যন্ত্রাংশ

স্থাপনা তৈরিতে ঢালাই, ইটের গাঁথুনি ও প্লাস্টার করতে হয়। যন্ত্রাংশের মাধ্যমে কাজগুলো করে নেওয়া যায় সহজে।

 

পাইলিং মেশিন

কথায় আছে, ভিত শক্ত হলে এর ওপরতলও শক্ত হয়। আর স্থাপনা কতটা টেকসই হবে তা নির্ভর করে ভিতের ওপর। নির্মাণকাজ শুরুই হয় পাইলিং দিয়ে। এ কাজে ছোট-বড় অনেক ধরনের মেশিনই ব্যবহার হয়। এর মধ্যে কাটার, রিং বা তেপায়া, চিজেল বা কাটার, ফানেল, হপার বা বাকেট, ড্রিলিং রড, ট্রিমি পাইপ, ওয়েল্ডিং মেশিন, উন্স মেশিন, পানির পাম্প ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

 

https://www.kalerkantho.com/ckfinder/userfiles/images/print/2019/January/26-01-2019/Kalerkantho_19-01-26-06.jpgকংক্রিট মিক্সার মেশিন

ঢালাই কাজের কংক্রিটসহ যাবতীয় উপাদানের মিশ্রণ তৈরির কাজে ব্যবহূত হয় মিক্সার মেশিন। কংক্রিট মিক্সের ওপর স্থাপনার স্থায়িত্ব নির্ভর করে। তাই ভালোমানের কংক্রিট মিক্সার মেশিন ব্যবহার করা উচিত। অনেক মিক্সার মেশিনে নিম্নমানের বিয়ারিং ব্যবহার হয়। এতে ঘূর্ণন গতি কম হয়। ফলে মিক্সার ভালো হয় না। এতে ঢালাইয়ের মানও খারাপ হয়।

 

ভাইব্রেটর মেশিন

কংক্রিট মিক্সারের ভেতরে অনেক সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি ও বাতাস আটকে পড়ে। এগুলো বের করে দিয়ে কংক্রিটকে আরো মজবুত করার কাজ করে ভাইব্রেটর। ভাইব্রেশন কংক্রিটের চাপশক্তি বাড়ায় এবং কংক্রিট ও রডের মধ্যকার বন্ধন মজবুত করে।

 

পাম্প মেশিন

উঁচু ভবন নির্মাণের সময় ওপরের তলাগুলোতে কংক্রিট মিক্সার বয়ে নিয়ে যাওয়া শ্রমিকের জন্য বেশ কষ্টকর। এ কাজে ব্যবহার হয় কংক্রিট পাম্প মেশিন।

 

স্মুথিং মেশিন

অতীতে কংক্রিট ঢালাইয়ের পর স্লাবের পৃষ্ঠতল মসৃণ করতে সমতল কাঠ বা লোহার তৈরি পৃষ্ঠ ব্যবহার করা হতো। সেই জায়গা দখলে নিয়েছে স্মুথিং মেশিন। এই মেশিনকে পাওয়ার ট্রাউয়েল বা পাওয়ার ফ্লোটও বলে কেউ কেউ। দেশে এখন দুই ধরনের স্মুথিং মেশিন পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে—রাইড অন পাওয়ার ট্রাউয়েল। এই মেশিনে একজন অপারেটর মেশিনের সিটে বসে বাটন বা সুইচের সাহায্যে স্মুথিং মেশিনকে পরিচালনা করে। বড় স্থাপনা নির্মাণে বেশি পুরুত্বের ঢালাই মসৃণ করতে এই মেশিন ব্যবহার করা হয়। আর ওয়াক বিহাইন্ড পাওয়ার ট্রাউয়েলের অপারেটর মেশিনের পেছন থেকে হেঁটে হেঁটে মেশিনকে নিয়ন্ত্রণ করে স্মুথিং কাজ করেন। ছোট আকারের নির্মাণকাজে এর ব্যবহার বেশি।

 

কাঠমিস্ত্রির যন্ত্রাংশ

পোর্টেবল পাওয়ার স

আড়াআড়ি বা লম্বালম্বি আঁশ বরাবর কাঠ কাটার জন্য যে করাত ব্যবহার করা হয় সেটিই পোর্টেবল স।

 

https://www.kalerkantho.com/ckfinder/userfiles/images/print/2019/January/26-01-2019/Kalerkantho_19-01-26-05.jpgপোর্টেবল পাওয়ার প্ল্যানার

কাঠের আড়াআড়ি বা লম্বালম্বি আঁশ বরাবর মসৃণ করার কাজে ব্যবহার করা হয়। যন্ত্রটি দিয়ে কাঠ মসৃণ করার সময় যে জায়গায় জোর বেশি দেওয়া হবে সে জায়গায় গর্ত হয়ে যাবে।

 

মর্টিজার

দেখতে অনেকটা সেলাই মেশিনের মতো। একটি কাঠের তক্তায় গর্ত তৈরি করে আরেকটি কাঠ তার ভেতর ঢোকানোর মতো ছিদ্র করতে এটি ব্যবহার করা হয়।

 

ম্যালেট বা কাঠের তৈরি হাতুড়ি

এটি কাঠে বা কংক্রিটে পেরেক বা লোহা মারার জন্য ব্যবহার করা হয়। কাঠে নকশা করার সময় যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। এই হাতুড়ি দিয়ে লোহা বা কাঠের খিলান পুঁতলেও কাঠে দাগ পড়ে না।

 

ইলেকট্রিক মিস্ত্রির যন্ত্রপাতি

প্রকৌশল পরিকল্পনা যখন হয় তখনই ঠিক করা হয় ভবনটির ইলেকট্রিক লাইন কী ধরনের হবে। রাজমিস্ত্রি আর কাঠমিস্ত্রির সঙ্গে তাই ইলেকট্রিক মিস্ত্রিরও সমানতালে কাজ করতে হয়।

ইলেকট্রিক লাইন খুব সংবেদনশীল। এতে তার, বোর্ড, সুইচ, পাইপ, সার্কিটসহ আরো কিছু উপকরণ ব্যবহার করা হয়। আর এসব সংযোজন করতে প্রয়োজন হয় ড্রিল মেশিন, প্লায়ার্স, স্ক্রু ড্রাইভার, বিদ্যুতের ভোল্ট মাপার যন্ত্রসহ আরো কিছু সরঞ্জামের। (কিছু তথ্য কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাঠ্য পুস্তক থেকে নেওয়া হয়েছে)।

 

 

সাধারণত ফার্নিচারের দোকানগুলোতে পেশার লোক বেশি পাওয়া যায়। এর বাইরে বিল্ডিং নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বহু কার্পেন্টার কাজ করেন।

একজন কার্পেন্টার কী ধরনের কাজ করেন?

·         কাঠের জিনিস বা আসবাবপত্র তৈরির জন্য প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

·         লেআউট অনুযায়ী উপযুক্ত কাঠ বাছাই করে চক/মার্কারের সাহায্যে কাঠের উপর নির্দিষ্ট পয়েন্ট চিহ্নিত (মার্কিং) করা;

·         করাত বাটালিসহ বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে মার্কিং অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধাঁচে কাঠ কাটা;

·         স্মুদিং প্লেন (বিশেষ ধরনের একটি যন্ত্র) ব্যবহার করে কাঠের উপরিভাগ মসৃণ করা;

·         কাঠের অংশগুলোকে জোড়া লাগানো;

·         কাঠের জিনিস বা আসবাবপত্র তৈরি হবার পর তাতে রং লাগিয়ে শুকানোর ব্যবস্থা করা;

·         কাঠের জিনিস বা আসবাবপত্রে কোন সমস্যা দেখা দিলে তা মেরামত করা।

একজন কার্পেন্টারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় না।

অভিজ্ঞতা: ভালো জায়গায় কাজ পেতে বছরের অভিজ্ঞতা লাগতে পারে।

একজন কার্পেন্টারের কী ধরনের দক্ষতা জ্ঞান থাকতে হয়?

·         কাঠের মান সম্পর্কিত ধারণা;

·         লেআউট/ডিজাইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধাঁচে কাঠ কাটার দক্ষতা;

·         ড্রিল, বাটালি স্মুদিং প্লেনসহ বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহারে দক্ষতা;

·         রং ব্যবহারে দক্ষতা;

·         ধৈর্য;

·         দলের সাথে কাজ করার দক্ষতা।

কোথায় কার্পেন্ট্রির কাজ শেখা যায়?

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফার্নিচার তৈরির দোকানে কার্পেন্ট্রির কাজ শেখেন পেশাজীবীরা। তবে বর্তমানে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক টেকনিক্যাল শিক্ষা নেয়া সম্ভব। যেমন, বাংলাদেশ সরকারের অধীনে পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে কার্পেন্ট্রির উপর এসএসসি (ভোকেশনাল) কোর্স করা যায়।

একজন কার্পেন্টারের মাসিক আয় কেমন?

মাসে গড়ে ,০০০১৫,০০০ আয় করা সম্ভব পেশায়।

 

গোল কাঠের হিসাব ::{(বেড়xবেড়)ফুট xলম্বা ফুট }÷১৬=CFT যেমন একটি গোল কাঠের বেড় ১০ ফুট ও লম্বা ১৭ফুট হলে কাঠটি কত CFT? সমাধান {(১০x১০)x ১৭}÷১৬ =>{১০০x১৭}÷১৬ =>১৭০০÷১৬ =>১০৬.২৫CFT

ফুট হিসাব, গাছের মাপ, তক্তা কাঠের হিসাব জানার উপায়

July 10, 2019Jibon

https://janarupay.com/wp-content/uploads/2019/07/1562726865-picsay-300x174.jpg

আসসালামু আলাইকুম জানার উপায় ওয়েবসাইট জানা অজানা কিছু তথ্য নিয়ে হাজির হলাম আজ

জেনে রাখা ভালো
সিএফটি = ফুট (এক কথা)
১৪৪ পাঠ = সিএফটি বা ফুট
১২ পাঠ = ইঞ্চি
১২ ইঞ্চি = ফুট

এখন আপনি সিএফটি কাঠ কি ভাবে বাহির করবেন সুত্রঃ ১। দৈঘ্য (ফুট)*প্রস্থ(ইঞ্চি)*থিকনেস্থ(ইঞ্চি)*সংখ্যা/১৪৪ = সিএফটি। ব্যাখ্যাঃ পাশ (১২ ইঞ্চি) * পুরুত্ব ( ইঞ্চি) * উচ্চতা (৬ফুট বা ৭২ ইঞ্চি ) ( উচ্চতার ক্ষেএে এখানে হিসাবে ফুট আসবে মনে রাখবেন) = ১৪৪ পাঠ বা ফুট বা সিএফটি অথবা, ১৪৪পাঠ * ১২ইঞ্চি = ১৭২৮ ইঞ্চি= ফুট বা সিএফটি

উদাহারন
যেমন একটি দরজার মাপ হলো পাশে ৩৭ ইঞ্চি, উচ্চতা ৮১. ইঞ্চি আর পুরুত্ব হলো .৭৫ ইঞ্চি। এখন এটার সিএফটি হিসেবে কতটুকু হবে?

সমাধান
প্রশ্ন মতে, পাশে ৩৭ ইঞ্চি, উচ্চতা ৮১. ইঞ্চি আর পুরুত্ব হলো .৭৫ ইঞ্চি
এখন, সুত্র মতে দৈঘ্য (ফুট) x প্রস্থ(ইঞ্চি) x থিকনেস্থ(ইঞ্চি) x সংখ্যা/১৪৪ = সিএফটি

=>পাশে ৩৭ (ইঞ্চি) x পুরুত্ব . (ইঞ্চি) x উচ্চতা .৮০ (ফুট বা ৮১. ইঞ্চি )
=>
৩৭৭. পাঠ ( আমরা জানি, ১৪৪ পাঠ = সিএফটি বা ফুট,)

সুতারাং ৩৭৭. ÷ ১৪৪
=>
.৬৩ (প্রায়) ফুট বা সিএফটি

গোল কাঠের হিসাব
গোল কাঠের হিসাবের সুত্রঃ {(বেড়xবেড়)ফুট xলম্বা ফুট১৬=CFT

উদাহারন মনে করি, একটি গোল কাঠের বেড় (মাঝের মাপ) ফুট লম্বা ফুট হলে কাঠটি কত CFT?

সমাধান

সুত্র মতে- {(বেড়xবেড়)ফুট xলম্বা ফুট১৬= CFT

=> {(x)x ১৬

=> {২৫x১৬

=> ১৫০÷১৬

=> .৩৮ প্রায় CFT

About Post A

 

গোল কাঠের হিসাব করবেন কিভাবে

gol-kath

 

আমরা অনেকে পড়াশোনা অনেক জানলেও কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যা আমাদের অজানা থেকে যায়। যেমন ধরুন আপনি একটি কাঠের হিসাব কিভাবে বের করবেন জানেন না। আজ আমরা জানব কিভাবে গোল কাঠের হিসাব বের করতে হয়।

গোল কাঠের হিসাব:

ধরুন, একটি গোল কাঠের বেড় (মাঝের মাপ) ফুট লম্বা ফুট হলে কাঠটি কত CFT?

::{(বেড়xবেড়)ফুট xলম্বা ফুট১৬=CFT

 

সমাধান

{(x)x ১৬

=>{২৫x১৬

=>২০০÷১৬

=>১২. CFT

 

জমি/ভূমি পরিমাপের সঠীক নিয়ম কানুন এক টিউনেই জেনে নিন(www.mdrumanch.com)

MARCH 26, 2016Posted in UNCATEGORIZED

জরিপ পদ্ধতি গজ

১২ ইঞ্চি = ফুট এবং ফুট= গজ

ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা .০০ একর (এক একর) হবে।

যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।

ভূমি জরিপকালে যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তা হল:

শিকল জরিপ
কম্পাস জরিপ
প্লেনটেবিল জরিপ
থিয়োডোলাইট জরিপ

শিকল জরিপ :

ভূমি জরিপের জন্য শিকল জরিপ সবচেয়ে সহজ। য়ে জায়গায় পরিপ করতে হবে তা কতকগুলো ত্রিভুজে ভাগ করে নিতে হয় এবং ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য শিকল দিয়ে মাপ করা হয়। জ্যামিতিক ক্ষেত্রগুলির মধ্যে ত্রিভুজ অংক পদ্ধতি সর্র্বাপেক্ষা সহজঅ পুরো জায়গাটিকে সারি সারি ত্রিভুজে ভায করে নিতে হয়। ত্রিভুজের কোণগুলি ৬০ ডিগ্রির কর বা ১২০ ডিগ্রির বেশী না হয় তা দেখতে হবে। মাঠের মাঝামাঝি দিয়ে একটি বা দুটি মেরুদন্ড রেখা টেনে নেয়া যায়। এই মেরুদন্ড রেখার সালে প্রধান প্রধান ত্রিভুজগুলো আবদ্ধ থাকরে এবং এরপর বড় বড় ত্রিভুজগুলোকে আরো ছোট ছোট ত্রিভুজে বিভক্ত করতে হবে। এভাবে শিকল জরিপ সম্পন্ন করা হয়।

কম্পাস জরিপ :

কম্পাসের সাহায্যে যে জরিপ পরিচালিত হয় তার নাম কম্পাস জরিপ। এতে দুই ধরনের কম্পাস ব্যাবহার করা হয়। কম্পাস দুটি হল প্রিজমেটিক কম্পাস এবং সার্ভেয়াস কম্পাস। বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন, রাস্তা, নদী এবং ধারাবাহিক রেখার নকশা প্রণয়ন কাজে প্রিজমেটিক কম্পাস ব্যাবহার করা হয়। আর বড় নদী বা সমুদ্র এলাকায় যখন বিশাল চর জেগে উঠে তখন তা নরম থাকে যে তার উপর দিয়ে চলাফের করা যায় না তখন কম্পাস জরিপের মাধ্যমে তার অবস্থান, সীমানা এবং আয়তন নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। তবে জরিপের বর্তমানে কোন ব্যাবহার নেই বললেই চলে.

শতাংশ একর

৪৮৪০ বর্গগজ = একর,
৪৩৫৬০ বর্গফুট= একর,
১৬১৩ বর্গগজ= বিঘা,
১৪৫২০বর্গফুট= বিঘা,
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ,
৮০.১৬ বর্গগজ= কাঠা,
৭২১.৪৬ বর্গফুট= কাঠা,
.০১ বর্গগজ = ছটাক,
৪৫.০৯ বর্গফুট= কাঠা,
২০ বর্গহাত = ছটাক,
১৮ ইঞ্চি ফুট= হাত (প্রামাণ সাই)

শতাংশের হিসাবের একক:

শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটা

কাঠা, বিঘা একর

কাঠা = ১৬ ছটাক,
কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ,
বিঘা = ৩৩ শতাংশ,
শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ,
২০ (বিশ) কাঠা = বিঘা,
.০০ একর = ১০০ শতাংশ=.০৩০৩০৩০৩বিঘা।

একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= .০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চার অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে.

মিলিমিটার ইঞ্চি

মিলিমিটার= .০৩৯৩৭ (প্রায়),
সেন্টিমিটার= .০৩৯৩৭ (প্রায়),
মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা .২৮ ফুট/ .০৯৩ গজ (প্রায়),
১০০০ মিটার = কিলোমিটার,
কিলোমিটার= ১১ শত গজ,
কিলোমিটার = (সোয়া মাইল),
১৭৬০ গজ = মাইল,
১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল,
৮৮০ গজ = আধা মাইল,
৪৪০ গজ = পোয়া মাইল,
বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়),
হেক্টর = .৪৭ একর (প্রায়),
ইঞ্চি = .৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়।

গান্টার শিকল

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল।

আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট।

গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

প্রতি এক লিঙ্ক = .৯২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ১০ চেইন ×প্রস্থে চেইন = ১০ বর্গ চেইন = একর গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯. ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি)

২০ লিঙ্ক বা ১৫৮. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন।

একর শতক একর হেক্টর

১০০ লিঙ্ক = গান্টার শিকল ১০০০ বর্গ লিঙ্ক = শতক ,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = একর

আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমাণ বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক।

হেক্টর = ১০,০০০ বর্গমিটার
হেক্টর = .৪৭ একর
হেক্টর = .৪৭ বিঘা
হেক্টর = ১০০ এয়র।

আঞ্চলিক পরিমাপ

আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান।

কানিঃ কানি দুই প্রকার। যথা- () কাচ্চা কানি () সাই কানি

কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানিঃ এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

বিঘা এবং কাঠা

বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত,
বিঘা = ২০ কাঠা,
কাঠা = ১৬ ছটাক,
ছটাক = ২০ গন্ডা,
বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক,
বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট,
কাঠা = ৭২০ বর্গফুট,
ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।

লিঙ্ক এর সাথে ফুট ইঞ্চির পরিবর্তনঃ

লিঙ্ক = . ইঞ্চি,
লিঙ্ক = ফুট . ইঞ্চি,
১০ লিঙ্ক = ফুট . ইঞ্চ,
১৫ লিঙ্ক = ফুট ১০. ইঞ্চি,
২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট . ইঞ্চি,
২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট . ইঞ্চি,
৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট . ইঞ্চি,
৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট,
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফট।

কানি গণ্ডা

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনাঃ

কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = একর
কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
একর = ১০ বর্গ চেইন
একর = ১০০ শতক
একর = ,০৪৭ বর্গমিটার
একর = বিঘা ছটাক
একর = ৬০. কাঠা
শতক = গন্ডা বা ৪৩২. বর্গফ

খতিয়ান এবং নকশা
খতিয়ান

খতিয়ানে (Record of Rights) খতিয়ান নম্বর, জেলা মৌজার নাম লিপিবদ্ধ থাকে। এছাড়া একাধিক কলামে জমির মালিকের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, দাগ নং (Plot Number), জমির শ্রেণী, পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে। খতিয়ানে কোন এক মৌজায় কোন একজন মালিকের জমির বিবরণ থাকে। আবার একটি খতিয়ানে একাধিক মালিকের জমির বিবরণও থাকতে পারে। খতিয়ান গুলো সাধারণত মৌজা ওয়ারী তৈরী করাহয়। অর্থাৎ কোন একটি মৌজার সকল খতিয়ান একসাথে বাধাই করা হয়। এজন্য রেকর্ড বইকে অনেকে সাধারণ বা প্রচলিতভাবে Volume- বলে থাকেন।

 

পড়চা

যখন পৃথক একটি কাগজে এই খতিয়নের অনুলিপি তৈরী করা হয় তখন তাকে পড়চা বলা হয়। এই অনুলিপি হাতে লিখে বা কম্পোজ করে তৈরী হয়ে থাকে এই অনুলিপি যখন রেকর্ড রুমের ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় তখন তাকে নকল বা Certified Copy বলে। সহজভাবে পড়চা হলো খতিয়ানের হাতে লেখা বা Compose করা কপি বা খসড়া।

আমরা সিএস, এসএ এবং আরএস পড়চার নাম শুনে থাকি। গুলো কি? ইতোমধ্যে পড়চা কি সে সম্বন্ধে আমরা একটি ধারণা পেয়েছি। সিএস, এসএ এবং আরএস পড়চা হলো আসলে বিভিন্ন রেকর্ডের খসড়া বা অনুলিপি বা কপি। কাজেই পড়চা সিএস, এসএ, আরএস বা মহানগরে জরিপের অর্থাৎ প্রকার হতে পারে। এছাড়া জরিপ চলা কালে প্রাথমিকভাবে হাতে লেখা একটি খসড়া বিবরণ যাচাইয়ের জন্য জমির মালিককে দেয়া হয়। একে মাঠ পড়চা বা হাত পড়চাও বলে।

 

পড়চা কোথায় পাবেন?

পড়চা বা রেকর্ডের সহি মুহুরী নকল (Certified Copy) পাওয়া যায় জেলাপ্রশাসকের কার্যালয় (DC office)-এর রেকর্ডরুমে নির্ধারিত ফী সহ আবেদন করলে রেকর্ড রুম থেকে পড়চা সরবরাহ করা হয়। পড়চা কখনও কোন দালালের কাছ থেকে নিবেন না এতে ভুল থাকতে পারে কেবল মাত্র ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর সহপড়চাই আসল বা Authentic.

 

পড়চা কেন প্রয়োজন?

জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিবরণ, জমির খতিয়ান-দাগ,অংশ, হিস্যা, শ্রেণী ইত্যাদি জানার জন্য পড়চা প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে জমি কেনা বেচার সময় পড়চা যাচাইয়ের প্রয়োজন হয়। পড়চা যাচাই এর জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিস, এসি (ল্যান্ড) অফিস বা রের্কডরুমে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

 

মৌজা (Mouza)

সার্ভের সময় সাধারণত একই রকম ভূ-প্রকৃতির ভৌগলিক এলাকা স্বতন্ত্র ভাবে মাপ জোক করা হয়। কোন থানা বা উপজেলার এরকম স্বতন্ত্র ভৌগলিক এলাকা বাভূ-খন্ডই হলো মৌজা। মৌজা জরিপ বা ভূমি ব্যবস্হাপনার একটি একক। কয়েকটি গ্রাম একটি মৌজার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে আবার কোন গ্রামেও একাধিক মৌজা থাকতে পারে। মৌজার কোন সুনির্দিষ্ট আয়তন নেই। তবে সাধারণতঃ কোন একটি উপজেলা একাধিক মৌজায় বিভক্ত থাকে। ভূমি ব্যবস্থাপনায়মৌজাবেশগুরুত্বপূর্ণ একটি term খতিয়ান বাদ দিলে মৌজার নাম উল্লেখ থাকে। উপজেলাধীন প্রত্যেক মৌজাকে একটি ক্রমিক নম্বর দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। এই নম্বরকে জেএল নম্বর বলে। এটি স্হায়ী।

 

তফসিল (Schedule)

জমিজমার ক্ষেত্রে তফসিল বলতে আসলে ভূমির পরিচয়কে বুঝায়। অর্থাৎ জমিটি কোথায়, এর মালিক কে ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। তফসিলে জেলার নাম, উপজেলা বা থানার নাম, মৌজার নাম, জমির দাগ-খতিয়ান নম্বর উল্লেখ করা হয়। এতে অনেক সময়জ মির পরিমাণ, শ্রেণী এবং মালিকানার বর্ণনাও থাকে।

 

দাগনম্বর

এটি আসলে কোন সরলরেখা বা বক্ররেখা নয়। দাগ হচ্ছে আসলে জমির Plot Number।আমরা জানি সাধারণত মাপ জোকের মাধ্যমে জমিকে একাধিক অংশে বিভক্ত করা হয়। এর প্রতিটি খন্ডকে দাগ বা Plot বলে। জরিপের সময় এরকম প্রত্যেক খন্ড জমিকে একটি নম্বর দ্বারা সূচিত করা হয়। এই নম্বরকেই দাগ নম্বর বলে।

 

মৌজা ম্যাপ

আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি যে, খতিয়ান মৌজা ম্যাপ দুটো মিলেই পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড। আসলে জরিপের সময় খতিয়ান বা জমির মালিকানার বিবরণ এবংজমির নকশা বা ম্যাপ এক সাথেই তৈরী করা হয়। কেবল মাত্র জমির খতিয়ান দেখে জমি চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। এজন্য মৌজা ম্যাপ বা জমির নকশার প্রয়োজন হয়। মৌজা ম্যাপ জমি চিহ্নিত করতে বা খুঁজে পেতে খুব সহায়ক। এতে দাগ নম্বর দিয়ে জমি সূচিত করা থাকে। ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমির পাশাপাশি রাস্তা, স্কুল, মসজিদ, পুকুর ঈদগাহ ইত্যাদি পাবলিক প্রপার্টিও চিহ্নিত থাকে। মৌজা ম্যাপ পড়চার মতই ডিসি অফিসের রেকর্ডরুম থেকে সংগ্রহ করা যায়।

 

এওয়াজ বদল (Exchange of Land)

অনেক সময় পারস্পরিক ব্যবহারের সুবিধার্থে এবং উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে একজনের সম্পত্তির সাথে আর একজনের জমির দখল বদল বা বিনিময় করা হয়। এটাই এওয়াজ বদল এরূপ ক্ষেত্রে, জমি বা সম্পত্তি পরস্পর ভোগ দখল করলেও স্বত্ত্ব বা মলিকানার হস্তান্তর হয় না। কেবলমাত্র দখল বদল হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত না রেজিস্ট্রেশন করে জমির স্বত্ত্ব বদল করা হয়, ততক্ষণ জমি পূর্ব মালিকের নামেই থেকে যায়। মনে রাখতে হবে এওয়াজ বদল কেবলমাত্র ব্যবহার বা চাষাবাদের সুবিধার্থে করা হয়ে থাকে।

কন্টেন্ট ক্রেডিট

 

জমি মাপযোকের পদ্ধতি বা ভূমি পরিমাপ করার নিয়মগুলো জেনে নিন

 

জমি মাপার পদ্ধতি গুলো কি কি? কিভাবে সহজেই ভূমি পরিমাপ করা যায়? ভূমি পরিমাপের সুত্রগুলো কি কি? ভূমি পরিমাপ করার সরকারি পদ্ধতি কি? জমি পরিমাপ করার আঞ্চলিক পদ্ধতি কি? ভূমি পরিমাপ করার দেশিয় পদ্ধতি কি?

 

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। বাংলাদেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,আসাম,ত্রিপুরা,মানভূম ইত্যাদি বিভিন্ন এলাকায় এককের মানে বিভিন্নতা লক্ষ করা যায়। এছাড়াও বাংলাদেশের অঞ্চলভেদে জমি মাপের ভিন্নতা রয়েছে।তবে বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিল লিখন, সরকারি হিসাব অফিসের কাজে ব্যবহার্য দুই প্রকার পরিমাপ হচ্ছে  শতাংশের হিসাব কাঠা হিসাব।

শতাংশ কাঠা মধ্যে সম্পর্ক এই যে, এক একরের এক শত ভাগের এক ভাগকে বলা হয়এক-শতাংশজমি। অধিকতর প্রচলিত শব্দবন্ধ হচ্ছেএক ডেসিমাল জমি অপরদিকে কাঠার উর্ধ্বতর একক হলোবিঘাএবং বিঘা উর্ধ্বতর একক হলোএকর।২০ কাঠা সমান এক বিঘা জমি এবং তিন বিঘা সমান এক একর জমি। এই পরিমাপ সর্বজনীন, এবংপ্রমিত মান” (Standard Measurement) হিসেবে সরকারীভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে কখনো কখনো সরকারী কাগজে হেক্টর ব্যবহার করা হয়।

জমি মাপার সূত্র:

জমি মাপার মূল সূত্র হেচ্ছে দৈর্ঘ X প্রস্থ = ক্ষেত্রফল। তবে জমির আকারভেদে এই ক্ষেত্রফল বের করার কিছু ভিন্ন বা সহজ নিয়ম রয়েছে। যেমন:

বর্গক্ষেত্রের বেলায়

ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু

কর্ণ = বাহু X .৪১৪

পরীসিমা= বাহু X

বর্গক্ষেত্রের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে ক্ষেত্রফল হবে;

ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক

আমরা জানি,

শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক

তাহলে জমির পরিমাণ,

১০০০ বর্গ লিংক = শতাংশ

বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ভাগ

১৪৪০০ বর্গ লিংকে হবে; ১৪৪০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে ১৪.৪০ শতাংশ হয়।

ভূমি পরিমাপ করার বিভিন্ন নিয়ম বা পদ্ধতি:

দেশ বা অঞ্চলভেদে বিভিন্ন এককে জমি বা ভূমি পরিমাপ করা হয়। বাংলাদেশে সরকারিভাবে শতাংশ এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাঠা হিসাবে করা হয়। নিচে জমি মাপের বিভিন্ন এককের পরিমাপ বা বিভিন্ন ভূমি পরিমাপের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।

জমির মাপ ঝোকে গান্টার শিকল এর লিঙ্ক/জরীপ/কড়ি পদ্ধতি

 

জমি মাপের পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ইংরেজ বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরনের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। বাংলাদেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট।

গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে এটি ১০০ ভাগে বিভক্ত  থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

দৈর্ঘ্য ১০ চেইন × প্রস্থে চেইন = ১০ বর্গ চেইন = একর

আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইন এবং ফিতা উভয় ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় আর আমিন বা সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করে থাকেন।আমাদের গবেষণায় দেখা যায় ভূমির পরিমাণ বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক।

গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯. ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয়

২০ লিঙ্ক বা ১৫৮. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়

৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়

৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়

৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬. ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়

৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়মাইল ষ্টোন

লিঙ্ক অনুযায়ী জমি পরিমাপ

 

লিঙ্ক = . ইঞ্চি

লিঙ্ক = ফুট . ইঞ্চি

১০ লিঙ্ক = ফুট . ইঞ্চি

১৫ লিঙ্ক = ফুট ১০. ইঞ্চি

২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট . ইঞ্চি

২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট . ইঞ্চি

৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট . ইঞ্চি

৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট

১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট

১০০ লিঙ্ক = গান্টার শিকল

১০০০ বর্গ লিঙ্ক = শতক

,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = একর

বর্গগজ, বর্গফুট অনুযায়ী জমির মাপের পরিমান

৪৮৪০ বর্গগজ = একর

৪৩৫৬০ বর্গফুট = একর

১৬১৩ বর্গগজ = বিঘা

১৪৫২০ বর্গফুট = বিঘা

৮০.১৬ বর্গগজ = কাঠা

৭২১.৪৬ বর্গফুট = কাঠা

৪৮.৪০ বর্গগজ = শতাংশ

৪৩৫.৬০ বর্গফুট = শতাংশ

.০১ বর্গগজ = ছটাক

৪৫.০৯ বর্গফুট = ছটাক

.১৯৬ বর্গগজ = বর্গমিটার

১০.৭৬ বর্গফুট = বর্গমিটার

ব্যাখ্যা: যদি কোন ভূমির দৈর্ঘ্য প্রস্থের গুণফল ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে জমির পরিমান হবে এক () একর। উদাহরণ: একটি ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ হলে ক্ষেত্রফল= ২২০×২২ গজ = ৪৮৪০ বর্গগজ = এক একর।

কাঠা, বিঘা, একর অনুযায়ী ভূমি মাপের পরিমান

কাঠা = ১৬ ছটাক

কাঠা = .৬৫ শতাংশ

কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ

বিঘা = ৩৩ শতাংশ

বিঘা = ২০ কাঠা

একর = ১০০ শতাংশ

একর = ৬০. কাঠা

একর = .০৩ বিঘা

ব্যাখ্যা: একশত শতাংশ বা, এক হাজার সহস্রাংশ বা, দশ হাজার অযুতাংশ = একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চার অঙ্ক হলে সাধারণত অযুতাংশ পড়তে হয়।

কিলোমিটার, মিটার, সেন্টিমিটার, মিলিমিটার, মাইক্রোমিটার, মাইল, গজ, ফুট, ইঞ্চি অনুযায়ী জমির মাপ ঝোক

কিলোমিটার = ১০০০ মিটার

কিলোমিটার = ১০৯৩.৬১ গজ

মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার

সেন্টিমিটার = ১০ মিলিমিটার

মিলিমিটার = ১০০০ মাইক্রোমিটার

মাইক্রোমিটার = ১০০০ ন্যানোমিটার

মাইল = ১৭৬০ গজ

মাইল = . কিলোমিটার

গজ = ফুট

ফুট = ১২ ইঞ্চি

ইঞ্চি = .৫৪ সেন্টিমিটার

জমির পরিমাপে ছটাক, বিঘা এবং কাঠার হিসাবের সম্পর্ক

ছটাক = ২০ গন্ডা

ছটাক = ৪৫ বর্গফুট

কাঠা = ১৬ ছটাক

কাঠা = ৭২০ বর্গফুট

বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত

বিঘা = ২০ কাঠা

বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক

বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট

হেক্টর অনুযায়ী ভূমি পরিমাপের পরিমান

হেক্টর = .৪৭ একর

হেক্টর = .৪৭ বিঘা

হেক্টর = ১০০ এয়র

জমি বা ভূমি পরিমান করার বিভিন্ন প্রকারের আঞ্চলিক পরিমাপ

বাংলাদেশ বাংলাদেশের আশেপাশের ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলন রয়েছে। যেমন: কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চল ভেদে এই পরিমাপগুলোর আয়তনও বিভিন্ন রকমের লক্ষ করা যায় বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান অর্থাৎ অঞ্চলভেদে শতকের আয়তনের কোন পরিবর্তন হয় না।

কানি: কানি দুই প্রকার। যথা

() কাচ্চা কানি

() সাই কানি

কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক কাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানি: এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের সম্পর্ক:

গন্ডা = করা

গন্ডা = ৮৬৪ বর্গফুট

করা = ২১৬ বর্গফুট

কানি = ২০ গন্ডা

কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট

কানি ১০ গন্ডা = একর

কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট

কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ

কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার

কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক

একর = ১০ বর্গ চেইন

একর = ১০০ শতক

একর = ,০৪৭ বর্গমিটার

একর = বিঘা ছটাক

এক একর ভূমির সাথে বিভিন্ন এককের তুলনামূলক বিশ্লেষণ:

একর = ১০০ শতক;

একর = ১০ বর্গচেইন;

একর = ৬০.০৬ কাঠা (৩৩ শতাংশে বিঘা হিসাবে);

একর = বিঘা ছটাক;

একর = কানি ১০ গণ্ডা (৪০ শতাংশে কানি শতাংশে গণ্ডা ধরে);

একর = ,০৪৭ বর্গমিটার;

একর = ,৮৪০ বর্গগজ;

একর = ১৯,৩৬০ বর্গহাত;

একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট;

একর = ,০০,০০০ বর্গলিংক।

এক বিঘা ভূমির সাথে বিভিন্ন এককের তুলনামূলক বিশ্লেষণ:

বিঘা = ২০ কাঠা;

বিঘা = ৩৩ শতাংশ;

বিঘা = ,৬০০ বর্গগজ;

বিঘা = .৪০০ বর্গহাত;

বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট;

বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিংক;

বিঘা = ১৬ গণ্ডা, কড়া ক্রান্তি।

এক শতাংশ ভূমির সাথে বিভিন্ন এককের তুলনামূলক বিশ্লেষণ:

শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ

শতাংশ = ৪০.৪৬ বর্গমিটার

শতাংশ = ১৯৪.৬০ বর্গহাত

শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক

কাঠা = .৬৫ শতাংশ (৩৩ এর মাপে)

কাঠা = .৫০ শতাংশ (৩০ এর মাপে)

বর্তমান আধুনিকালে একরে অংশ লেখার (অযুতাংশেনমুনা নিম্নরুপ:

.০০২৫ একর = কোয়ার্টার শতাংশ

.০০৫ একর = আধা শতাংশ

.০০৭৫ একর = পৌনে এক শতাংশ

.০১ একর = এক শতাংশ

.০১২৫ একর = সোয়া শতাংশ

.০১৫০ একর = দেড় শতাংশ

.০১৭৫ একর = পৌনে দুই শতাংশ

.০২ একর = দুই শতাংশ

.১০ একর = দশ শতাংশ

. একর = একর = ১০০ শতাংশ

আরো পড়ুন

 

মিটার থেকে গজ রূপান্তর টেবিল

নিম্নলিখিত ধারাবাহিক সংখ্যা রূপান্তরিত তালিকা( দশমিক পর্যন্ত)

মিটার

গজ

মিটার

গজ

মিটার

গজ

মিটার

গজ

১মি

.০৯৩৬গজ

৫১মি

৫৫.৭৭৩৬গজ

১০১মি

১১০.৪৫৩৬গজ

১৫১মি

১৬৫.১৩৩৬গজ

২মি

.১৮৭২গজ

৫২মি

৫৬.৮৬৭২গজ

১০২মি

১১১.৫৪৭২গজ

১৫২মি

১৬৬.২২৭২গজ

৩মি

.২৮০৮গজ

৫৩মি

৫৭.৯৬০৮গজ

১০৩মি

১১২.৬৪০৮গজ

১৫৩মি

১৬৭.৩২০৮গজ

৪মি

.৩৭৪৪গজ

৫৪মি

৫৯.০৫৪৪গজ

১০৪মি

১১৩.৭৩৪৪গজ

১৫৪মি

১৬৮.৪১৪৪গজ

৫মি

.৪৬৮গজ

৫৫মি

৬০.১৪৮গজ

১০৫মি

১১৪.৮২৮গজ

১৫৫মি

১৬৯.৫০৮গজ

৬মি

.৫৬১৬গজ

৫৬মি

৬১.২৪১৬গজ

১০৬মি

১১৫.৯২১৬গজ

১৫৬মি

১৭০.৬০১৬গজ

৭মি

.৬৫৫২গজ

৫৭মি

৬২.৩৩৫২গজ

১০৭মি

১১৭.০১৫২গজ

১৫৭মি

১৭১.৬৯৫২গজ

৮মি

.৭৪৮৮গজ

৫৮মি

৬৩.৪২৮৮গজ

১০৮মি

১১৮.১০৮৮গজ

১৫৮মি

১৭২.৭৮৮৮গজ

৯মি

.৮৪২৪গজ

৫৯মি

৬৪.৫২২৪গজ

১০৯মি

১১৯.২০২৪গজ

১৫৯মি

১৭৩.৮৮২৪গজ

১০মি

১০.৯৩৬গজ

৬০মি

৬৫.৬১৬গজ

১১০মি

১২০.২৯৬গজ

১৬০মি

১৭৪.৯৭৬গজ

১১মি

১২.০২৯৬গজ

৬১মি

৬৬.৭০৯৬গজ

১১১মি

১২১.৩৮৯৬গজ

১৬১মি

১৭৬.০৬৯৬গজ

১২মি

১৩.১২৩২গজ

৬২মি

৬৭.৮০৩২গজ

১১২মি

১২২.৪৮৩২গজ

১৬২মি

১৭৭.১৬৩২গজ

১৩মি

১৪.২১৬৮গজ

৬৩মি

৬৮.৮৯৬৮গজ

১১৩মি

১২৩.৫৭৬৮গজ

১৬৩মি

১৭৮.২৫৬৮গজ

১৪মি

১৫.৩১০৪গজ

৬৪মি

৬৯.৯৯০৪গজ

১১৪মি

১২৪.৬৭০৪গজ

১৬৪মি

১৭৯.৩৫০৪গজ

১৫মি

১৬.৪০৪গজ

৬৫মি

৭১.০৮৪গজ

১১৫মি

১২৫.৭৬৪গজ

১৬৫মি

১৮০.৪৪৪গজ

১৬মি

১৭.৪৯৭৬গজ

৬৬মি

৭২.১৭৭৬গজ

১১৬মি

১২৬.৮৫৭৬গজ

১৬৬মি

১৮১.৫৩৭৬গজ

১৭মি

১৮.৫৯১২গজ

৬৭মি

৭৩.২৭১২গজ

১১৭মি

১২৭.৯৫১২গজ

১৬৭মি

১৮২.৬৩১২গজ

১৮মি

১৯.৬৮৪৮গজ

৬৮মি

৭৪.৩৬৪৮গজ

১১৮মি

১২৯.০৪৪৮গজ

১৬৮মি

১৮৩.৭২৪৮গজ

১৯মি

২০.৭৭৮৪গজ

৬৯মি

৭৫.৪৫৮৪গজ

১১৯মি

১৩০.১৩৮৪গজ

১৬৯মি

১৮৪.৮১৮৪গজ

২০মি

২১.৮৭২গজ

৭০মি

৭৬.৫৫২গজ

১২০মি

১৩১.২৩২গজ

১৭০মি

১৮৫.৯১২গজ

২১মি

২২.৯৬৫৬গজ

৭১মি

৭৭.৬৪৫৬গজ

১২১মি

১৩২.৩২৫৬গজ

১৭১মি

১৮৭.০০৫৬গজ

২২মি

২৪.০৫৯২গজ

৭২মি

৭৮.৭৩৯২গজ

১২২মি

১৩৩.৪১৯২গজ

১৭২মি

১৮৮.০৯৯২গজ

২৩মি

২৫.১৫২৮গজ

৭৩মি

৭৯.৮৩২৮গজ

১২৩মি

১৩৪.৫১২৮গজ

১৭৩মি

১৮৯.১৯২৮গজ

২৪মি

২৬.২৪৬৪গজ

৭৪মি

৮০.৯২৬৪গজ

১২৪মি

১৩৫.৬০৬৪গজ

১৭৪মি

১৯০.২৮৬৪গজ

২৫মি

২৭.৩৪গজ

৭৫মি

৮২.০২গজ

১২৫মি

১৩৬.৭গজ

১৭৫মি

১৯১.৩৮গজ

২৬মি

২৮.৪৩৩৬গজ

৭৬মি

৮৩.১১৩৬গজ

১২৬মি

১৩৭.৭৯৩৬গজ

১৭৬মি

১৯২.৪৭৩৬গজ

২৭মি

২৯.৫২৭২গজ

৭৭মি

৮৪.২০৭২গজ

১২৭মি

১৩৮.৮৮৭২গজ

১৭৭মি

১৯৩.৫৬৭২গজ

২৮মি

৩০.৬২০৮গজ

৭৮মি

৮৫.৩০০৮গজ

১২৮মি

১৩৯.৯৮০৮গজ

১৭৮মি

১৯৪.৬৬০৮গজ

২৯মি

৩১.৭১৪৪গজ

৭৯মি

৮৬.৩৯৪৪গজ

১২৯মি

১৪১.০৭৪৪গজ

১৭৯মি

১৯৫.৭৫৪৪গজ

৩০মি

৩২.৮০৮গজ

৮০মি

৮৭.৪৮৮গজ

১৩০মি

১৪২.১৬৮গজ

১৮০মি

১৯৬.৮৪৮গজ

৩১মি

৩৩.৯০১৬গজ

৮১মি

৮৮.৫৮১৬গজ

১৩১মি

১৪৩.২৬১৬গজ

১৮১মি

১৯৭.৯৪১৬গজ

৩২মি

৩৪.৯৯৫২গজ

৮২মি

৮৯.৬৭৫২গজ

১৩২মি

১৪৪.৩৫৫২গজ

১৮২মি

১৯৯.০৩৫২গজ

৩৩মি

৩৬.০৮৮৮গজ

৮৩মি

৯০.৭৬৮৮গজ

১৩৩মি

১৪৫.৪৪৮৮গজ

১৮৩মি

২০০.১২৮৮গজ

৩৪মি

৩৭.১৮২৪গজ

৮৪মি

৯১.৮৬২৪গজ

১৩৪মি

১৪৬.৫৪২৪গজ

১৮৪মি

২০১.২২২৪গজ

৩৫মি

৩৮.২৭৬গজ

৮৫মি

৯২.৯৫৬গজ

১৩৫মি

১৪৭.৬৩৬গজ

১৮৫মি

২০২.৩১৬গজ

৩৬মি

৩৯.৩৬৯৬গজ

৮৬মি

৯৪.০৪৯৬গজ

১৩৬মি

১৪৮.৭২৯৬গজ

১৮৬মি

২০৩.৪০৯৬গজ

৩৭মি

৪০.৪৬৩২গজ

৮৭মি

৯৫.১৪৩২গজ

১৩৭মি

১৪৯.৮২৩২গজ

১৮৭মি

২০৪.৫০৩২গজ

৩৮মি

৪১.৫৫৬৮গজ

৮৮মি

৯৬.২৩৬৮গজ

১৩৮মি

১৫০.৯১৬৮গজ

১৮৮মি

২০৫.৫৯৬৮গজ

৩৯মি

৪২.৬৫০৪গজ

৮৯মি

৯৭.৩৩০৪গজ

১৩৯মি

১৫২.০১০৪গজ

১৮৯মি

২০৬.৬৯০৪গজ

৪০মি

৪৩.৭৪৪গজ

৯০মি

৯৮.৪২৪গজ

১৪০মি

১৫৩.১০৪গজ

১৯০মি

২০৭.৭৮৪গজ

৪১মি

৪৪.৮৩৭৬গজ

৯১মি

৯৯.৫১৭৬গজ

১৪১মি

১৫৪.১৯৭৬গজ

১৯১মি

২০৮.৮৭৭৬গজ

৪২মি

৪৫.৯৩১২গজ

৯২মি

১০০.৬১১২গজ

১৪২মি

১৫৫.২৯১২গজ

১৯২মি

২০৯.৯৭১২গজ

৪৩মি

৪৭.০২৪৮গজ

৯৩মি

১০১.৭০৪৮গজ

১৪৩মি

১৫৬.৩৮৪৮গজ

১৯৩মি

২১১.০৬৪৮গজ

৪৪মি

৪৮.১১৮৪গজ

৯৪মি

১০২.৭৯৮৪গজ

১৪৪মি

১৫৭.৪৭৮৪গজ

১৯৪মি

২১২.১৫৮৪গজ

৪৫মি

৪৯.২১২গজ

৯৫মি

১০৩.৮৯২গজ

১৪৫মি

১৫৮.৫৭২গজ

১৯৫মি

২১৩.২৫২গজ

৪৬মি

৫০.৩০৫৬গজ

৯৬মি

১০৪.৯৮৫৬গজ

১৪৬মি

১৫৯.৬৬৫৬গজ

১৯৬মি

২১৪.৩৪৫৬গজ

৪৭মি

৫১.৩৯৯২গজ

৯৭মি

১০৬.০৭৯২গজ

১৪৭মি

১৬০.৭৫৯২গজ

১৯৭মি

২১৫.৪৩৯২গজ

৪৮মি

৫২.৪৯২৮গজ

৯৮মি

১০৭.১৭২৮গজ

১৪৮মি

১৬১.৮৫২৮গজ

১৯৮মি

২১৬.৫৩২৮গজ

৪৯মি

৫৩.৫৮৬৪গজ

৯৯মি

১০৮.২৬৬৪গজ

১৪৯মি

১৬২.৯৪৬৪গজ

১৯৯মি

২১৭.৬২৬৪গজ

৫০মি

৫৪.৬৮গজ

১০০মি

১০৯.৩৬গজ

১৫০মি

১৬৪.০৪গজ

২০০মি

২১৮.৭২গজ

Date Time: 2020-10-28 01:12:49, My IP: 157.55.39.83

 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.